অপরূপা গুলিয়াখালী সৈকত'কে পর্যটন এলাকা ঘোষণা

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর সবুজ, শ্যামল, মনোমুগ্ধকর সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকত এলাকাকে পর্যটন সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করেছে বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
সোমবার( ১০ জানু )রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব শ্যামলী নবী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এখানে বেড়িবাঁধের ওপর দাঁড়াতেই চোখ পড়ে কেওড়া বনের ওপর মায়াবী আকাশ। বেড়িবাঁধ পেরিয়ে কাদামাটির ওপর দিয়ে কিছুটা পথ হেঁটে গেলে কানে ভেসে আসে সমুদ্রের গর্জন। সৈকতে যাওয়ার আগে কেওড়া বনে দেখা মেলে ঘাসের আর সবুজের মাঝে ছোট ছোট খাদের।
দেখা যায় নানা জাতের পাখি, মাছ, ফল, ফুল এবং সাগরের গভীরে লুকায়িত প্রাকৃতিক সম্পদের ভান্ডার। সারি সারি নারকেল গাছ আর বিভিন্ন জাতের ফলের গাছে ভরা।
সূর্যের কিরণ ও সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের তালে উপভোগ করা যায় সূর্যাস্তের সৌন্দর্য। পড়ন্ত বিকেলে সুবজ ফসলের মাঠে দোল খেয়ে যাওয়া দক্ষিণা বাতাস মনে আনে প্রশান্তি।
বসন্তে কোকিলর ডাক, গাছে গাছে নানা ফুলের বাহার, শরৎকালের কাশফুল তার উপর সাদা বকের ঝাঁকের ঘুরপাক খাওয়া নয়নাভিরাম দৃশ্য সবই রয়েছে এই দ্বীপে।
সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন বাংলাদেশ মনিটরকে বলেন, ইতোমধ্যে গুলিয়াখালী বিচ এলাকায় তিন লাখ টাকা ব্যয়ে ওয়াশ ব্লকের কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া বিচে যাওয়ার রাস্তা বাড়ানোসহ বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।










