বিমান: ইউনিফর্ম না পরলেই ব্যবস্থা

বিমানের বিভিন্ন পদে কর্মরত কর্মকর্তা -কর্মচারীদের ইউনিফর্ম ঠিকমতো না পরলে শাস্তির আওতায় আনবে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এ এয়ারলাইন্স। ইতোমধ্যে বিষয়টি দেখভালে একটি ভিজিলেন্স টিম বা তদারকি দল গঠন করা হয়েছে। বিমানের যে কর্মীদের ইউনিফর্ম পরায় অনীহা আছে, তাদের তালিকা তৈরি করবে এ টিম।
এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল বাংলাদেশ মনিটরকে বলেন, বিমান স্টাফদের নির্ধারিত পোশাক রয়েছে কিন্তু কেউ কেউ পোশাক ব্যবহার করছেন না যেটা শৃঙ্খলা পরিপন্থী। তিনি বলেন, পোশাকের জন্য বিমান কর্মকর্তা -কর্মচারীদের অর্থও দেয়া হয়। তিনি আরো বলেন, এখন অনন্য উচ্চতায় ফিরেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সাফল্য এসেছে আকাশপথে বিমান পরিবহনের মান, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা ও পর্যটন সেবায় সুতরাং বিশৃঙ্খল| বা অনিয়ম এখানে সহ্য করা হবে না।
অপরদিকে, বিমানের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (প্রশাসন) জিয়াউদ্দীন আহমেদ এক অফিস আদেশে ইউনিফর্মের তদারকি করতে তিন সদস্যের টিম হয়েছে বলে জানিয়েছেন। ওই টিম নিজস্ব রুটিন অনুযায়ী বিমান বাংলাদেশের বিভিন্ন দফতরে আকস্মিক পরিদর্শনে যাবে।
বিমানের ক্যাপ্টেন ও ক্রুদের নির্ধারিত শার্ট ও শাড়ি রয়েছে। এর বাইরে যারা বিভিন্ন শাখা অফিস বা ডেস্কে চাকরি করছেন, তাদের মধ্যে পুরুষদের সাদা শার্ট-প্যান্ট এবং নারীদের শাড়ি পরা বাধ্যতামূলক।
ভিজিলেন্স টিমকে প্রধানত দুটি কাজ করতে দেওয়া হয়েছে। প্রথমটি হলো, বিমানের যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইউনিফর্ম পরার বিধান রয়েছে, তাদের পরিপূর্ণ ইউনিফর্ম নিশ্চিত করা। এজন্য তারা বিমানের বিভিন্ন পরিদফতর, বিভাগ, উপ-বিভাগ, শাখা ও সেলস সেন্টার পরিদর্শন করবেন। দ্বিতীয়টি হলো, ইউনিফর্ম পরার নির্দেশনা পাওয়া যে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যথাযথভাবে ইউনিফর্ম পরছেন না, তাদের তালিকা প্রস্তুত করে বিমানের প্রশাসন পরিদফতরে পাঠানো। তালিকা পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বিমানের প্রশাসন পরিদফতর।
শাস্তির ধরন সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে না জানা গেলেও বিমানের একজন কর্মকর্তা বলেন, কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী যদি ইউনিফর্ম না পরেন অথবা আংশিক পরেন, সেক্ষেত্রে তালিকা ধরে তাদের কাছে মৌখিক ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। এরপর তাদের শাস্তি (প্রযোজ্য হলে) দেওয়া হবে। শাস্তি হিসেবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চূড়ান্ত সতর্ক করা, লিখিত মুচলেকা নেওয়া এমনকি বেতন কাটা হতে পারে।










