পরিবেশবান্ধব ফ্লাইট চালু হচ্ছে ডেনমার্কে

ডেনমার্ক সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলোতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধের লক্ষ্য ঘোষণা করেছে। জনগণকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানাতে দেওয়া ভাষণে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফেডরিকসেন বলেছেন, তিনি আকাশপথে চলাচল পরিবেশবান্ধব করতে চান।
বিবিসি জানাচ্ছে, ডেনমার্ক সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ ১৯৯০ সালের তুলনায় ৭০ শতাংশ কমিয়ে আনতে চায়। তবে কীভাবে এ লক্ষ্য পূরণ হবে তা এখনো ঠিক করেননি দেশটির নীতিনির্ধারকরা।
নিজের পরিকল্পনা ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী মেটে ফেডরিকসেন বলেন, ‘বাঁচার জন্যই ভ্রমণ করতে হয় আর তাই আমরা বিমানে চড়ি। যখন বিশ্বের অন্যান্য দেশ অনেক ধীরগতিতে কাজ করছে তখন ডেনমার্ককে অবশ্যই নেতৃত্ব দিতে হবে আর লক্ষ্যের দিকে আরও এগিয়ে যেতে হবে।’
অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো কঠিন হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর সমাধান বের করতে গবেষকরা এবং কোম্পানিগুলো কাজ করছে।’
ইউরোপীয় এয়ারোস্পেস করপোরেশন এয়ারবাস জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন ব্যবহার করবে এমন উড়োজাহাজ তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এসব উড়োজাহাজ ২০৩৫ সালের মধ্যে চলাচল শুরু করতে পারবে বলে আশা তাদের। সুইডেনও ২০৩০ সালের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বন্ধের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। দেশটি ২০৪৫ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটেও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার করার আশা করছে। গত বছরের প্রথম দিকে দেশটির সরকার অতি দূষণকারী উড়োজাহাজগুলোর জন্য বিমানবন্দরের চার্জ বাড়ানোর পরিকল্পনাও ঘোষণা করে।
আর ফ্রান্স জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে অভিনব একটি উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে, ট্রেনে ভ্রমণে সর্বোচ্চ আড়াই ঘণ্টা লাগে এমন দূরত্বে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ করবে তারা।
আগামী এক দশকের মধ্যেই সবাইকে ছাড়িয়ে যেতে চায় ডেনমর্ক। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর আশা, তাদের দেখানো পথেই এক দিন বিশ্ব সবুজ জ¦ালানিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে।










