মৈত্রী ও বন্ধন সাড়ে ২২ মাস বন্ধ

দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার ঠিক আগে বন্ধ করে দেয়া হয় ঢাকা-কলকাতা রুটে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেস ও খুলনা-কলকাতা রুটের বন্ধন এক্সপ্রেস।
এরপর সাড়ে ২২ মাস কেটে গেলেও আর চালু হয়নি ট্রেন দুটি। শিগগিরই তা চালু হওয়ার কোনো সম্ভাবনাও নেই। যদিও বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে সড়ক ও বিমান পরিবহন চালু রয়েছে।
তথ্যমতে, ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে দুই দেশের মধ্যে যাত্রা শুরু করে মৈত্রী এক্সপ্রেস।
উদ্বোধন করেছিলেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। দীর্ঘ ৪৩ বছর পর দুই দেশের মধ্যে এ ট্রেন যাত্রার সূচনা হয়েছিল। আর বন্ধন এক্সপ্রেস যাত্রা করে ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর সূচনা করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভারতে ডেল্টা ভেরিয়েন্ট সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর আবারও দুই দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী বাস ও আকাশপথে চলাচল বন্ধ করা হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় দুই দেশের সব সীমান্ত। চলতি বছর কভিড রোগী শনাক্তের হার কমতে শুরু করায় দুই দেশের মধ্যে বিমান ও বাস চলাচল শুরু হয়। সীমান্তের পাশাপাশি দুই দেশের ভিসা সেন্টারগুলো আবার চালু করা হয়। তবে সাড়ে ২২ মাসে মৈত্রী ও বন্ধন ট্রেন চালু করার কোনো উদ্যোগ নেয়নি দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি দেশে করোনা শনাক্ত হওয়ার হার অনেকটা কমে এলেও বিশ্বব্যাপী নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও ওমিক্রন ধরা পড়েছে। তাই সতর্কর্তার অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে যাত্রী ট্রেন চালুর বিষয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা বা উদ্যোগ নেই।










