ইলিশ গবেষণায় ল্যাব জাহাজ

ইলিশ গবেষণায় অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিসহ বিশেষ ধরনের জাহাজ তৈরি করেছে খুলনা শিপইয়ার্ড।
এটি নদ-নদী, মোহনা ও সাগর উপকূলে দীর্ঘসময় অবস্থান করে গবেষণা কার্যক্রম চালাতে পারবে। একই সঙ্গে ইলিশের নতুন বিচরণ ক্ষেত্র নিরূপণ ও উৎপাদনে গবেষণা কাজে সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
গতকাল ইলিশ গবেষণায় তৈরি এ জাহাজটি বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কাছে হস্তান্তর করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন পৃথিবীর মধ্যে এক নম্বরে। অতীতে যে পরিমাণ ইলিশ আহরণ হতো এখন তার থেকে অনেক বেশি হচ্ছে। কিন্তু সাময়িক উৎপাদন নয় বরং সক্ষমতা বৃদ্ধি ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ইলিশ গবেষণা ল্যাবরেটরি কাজ করছে।
খুলনা শিপইয়ার্ডে অনুষ্ঠিত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, খুলনা নেভাল এরিয়া কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল এম আনোয়ার হোসেন, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ এবং খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর খন্দকার আক্তার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, ২৫ মিটার দীর্ঘ ও ২.৮ মিটার গভীরতার জাহাজটিতে ছয়জন সায়েন্টিফিক অফিসার ও ১২ জন ক্রু থাকবেন। ২০১৯ সালের ১৩ মে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে জাহাজ তৈরির চুক্তি হয় খুলনা শিপইয়ার্ডের। এরপর খুলনা শিপইয়ার্ডের সম্পূর্ণ নিজস্ব ডিজাইনে জাহাজটি তৈরি হয়। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি যুদ্ধজাহাজসহ আরও ৭৭৫টি জাহাজ নির্মাণ ও ২ হাজার ৩৩৬টি জাহাজ মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে।
সেই গবেষণার কাজে জাহাজটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এতে গবেষণা কাজে সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ইলিশ উৎপাদন বহুগুণ বাড়বে।










