শাহ আমানতে কাল থেকে পিসিআর ল্যাব চালু

বিদেশগামীদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরটি পিসিআর ল্যাব পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে। তবে পুরোপুরি এর কার্যক্রম শুরু আগামীকাল সোমবার থেকে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, ‘পিসিআর ল্যাব স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলছে। সোমবার থেকে যাত্রীদের পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়া যাবে বলে আশা করছি।’
সভায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসের (বিআইটিআইডি) ল্যাব ইনচার্জ সহযোগী অধ্যাপক শাকিল আহমেদ, বিমানবন্দর ল্যাবের সমন্বক পুলক পারিয়াল ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
পুলক পারিয়াল বলেন, ‘ইন্টারনেটের সংযোগ বাকি আছে। আরও কিছু টেকনিক্যাল কাজ করতে হবে। এসব কাজ দুইদিনের মধ্যে শেষ হবে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে সেমবার থেকে পুরোদমে ল্যাব চালু হবে।’
এর আগে, গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে ল্যাব স্থানের অবকাঠামোর কাজ শুরু করে স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ। ২৯ ডিসেম্বর পরীক্ষামূলকভাবে চালুর জন্য প্রস্তুত হয়।
গত ৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিদেশ যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার জন্য চারটি বেসরকারি ল্যাবকে অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদন অনুযায়ী পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৬০০ টাকা।
অনুমোদন পাওয়া চারটি ল্যাব হল- ঢাকার প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট ও ল্যাবএইড লিমিটেড, কুমিল্লার মর্ডান হসপিটাল প্রাইভেট লিমিটেড এবং চট্টগ্রামের শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবেটরি লিমিটেড।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের (প্রশাসন) সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেটে জরুরি ভিত্তিতে বিদেশগামী যাত্রীদের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) করোনা শনাক্ত করার জন্য র্যাতপিড পিসিআর/আরটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনের উদ্দেশে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ল্যাব স্থাপনে আগ্রহী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে একটি খসড়া তালিকা তৈরি করা হয়। মোট ১৭টি প্রতিষ্ঠানের আবেদনপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করে খসড়া তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়। ওই তালিকা অনুযায়ী চট্টগ্রাম হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে র্যা পিড পিসিআর ল্যাব স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর। এরপর প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের যন্ত্রপাতি বিমানবন্দরের নির্ধারিত স্থানে স্থাপন করে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অনুমতিপ্রাপ্তির পর পিসিআর টেস্টের জন্য ১৬০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ‘ফি’ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিশোধ করা হবে। এক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী বাংলাদেশি কর্মীদের কাছ থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টেস্টের জন্য কোনো ফি আদায় না করার জন্য বলা হয়েছে।










