নারী পর্যটকদের জন্য সৈকতে ‘বিশেষ এলাকা’

কক্সবাজারে এক নারী পর্যটক ও আবাসিক হোটেলে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দুইদিন ধরে জিম্মি রেখে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর নারী ও শিশুদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা নির্দিষ্ট করে দেয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছিল জেলা প্রশাসন সেটি আজ (২৯ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করলেন।
এ জন্য সৈকতে নারীদের জন্য আলাদা ড্রেসিং রুম ও লকার রুম করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।।
উদ্বোধনী বক্তৃতায় মামুনুর রশীদ জানান, কক্সবাজার পর্যটন এলাকা নারীবান্ধব করার জন্য সৈকতে নারীদের জন্য ‘বিশেষ এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে নারী পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে সৈকতে ভ্রমণ করতে পারবেন। সৈকতে নারীদের নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের বড় একটি অংশে নারীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের মধ্যেও নারী সদস্য রয়েছেন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ানের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম, ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আবু সুফিয়ান বাংলাদেশ মনিটরকে বলেন,‘কক্সবাজারে যেসব নারী পর্যটক বা পর্দানশিন নারী আসবেন, তাদের জন্য ১০০ বা ১৫০ ফিটের একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকছে।
হোটেল বা গেস্ট হাউজে যেন পর্যটকরা নিরাপদে থাকতে পারেন, এ ব্যাপারেও তারা ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
মালিক ও পরিচালকদের সাথে তারা বৈঠক করেছেন। হোটেল কর্মীদের এসব ব্যাপারে প্রশিক্ষণ ও সচেতন হওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, উপরোক্ত দুটি ঘটনার পর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন পর্যটকরা। এর প্রেক্ষিতে নারী পর্যটকের জন্য ‘বিশেষ এলাকা’ করা হয়েছে।










