মাল্টিপ্লানে শেষ হলো কম্পিউটার মেলা

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অবদান রাখা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কম্পিউটার সিটি সেন্টার (মাল্টিপ্ল্যান) আয়োজিত মাসব্যাপী প্রযুক্তি পণ্যের বিজয় উৎসব-২০২১'র পর্দা নামলো শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর)।
বঙ্গবন্ধু জন্মশত বার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ১ ডিসেম্বর থেকে রাজধানীর নিউ এলিফ্যান্ট রোডের কম্পিউটার সিটি সেন্টারে (মাল্টিপ্ল্যান সেন্টার) এই বিজয় উৎসব-২০২১উদ্বোধন করা হয়।
আয়োজনের শেষ দিন বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত বর্নাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার।
কম্পিউটার সিটি সেন্টার শপ হোল্ডার্স সোসাইটির সভাপতি ও বিজয় উৎসব-২০২১ এর আহ্বায়ক তৌফিক এহেসান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খাঁন নিখিল, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সভাপতি মাহবুব আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এর সভাপতি মোঃ শাহিদ-উল-মুনীর, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এর পরিচালক ড. যশোদা জীবন দেবনাথ, গ্লোবাল ব্র্যান্ড এর পরিচালক মোঃ জসিম উদ্দিন খন্দকার, এসোসিও এর সাবেক চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এর সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ এইচ কাফি, স্মার্ট টেকনোলজিস্ বিডি এর পরিচালক জাফর আহমেদ, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নিউ মার্কেট থানার সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন আহমেদ, ওয়ালটন ডিজিটেক ইন্ডাস্ট্রির উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ লিয়াকত আলী, এলিফ্যান্ট রোড কম্পিউটার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন, রায়ান্স কম্পিউটার এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হাসান জুয়েল।
মাসব্যাপী প্রযুক্তি পণ্যের বিজয় উৎসব-২০২১ এর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় তুলে ধরেন কম্পিউটার সিটি সেন্টার শপ হোল্ডার্স সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সুব্রত সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যারা অবদান রেখেছে সেই ১৮ জন মুক্তিযাদ্ধাকে সম্মাননা করেছেন। এর মধ্যে নিজেও সম্মাননা পেয়েছি। আজ আনন্দের দিন।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অবদানের জন্য (১৫) জন মুক্তিযোদ্ধাসহ মোট (১৮) জনকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হবে। স্ব শরীরে বা যাদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন, তারা হলেন, ১. মোস্তাফা জব্বার ২. বকুল মোস্তাফা ৩. তৌফিক এহেসান ৪. মাহবুব জামান ৫. এ ওয়াই মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ (মরণোত্তর) ৬. আক্তারুজ্জামান মঞ্জু (মরণোত্তর) ৭. শেখ কবির আহমেদ ৮. জেলাল শফি ৯. নজরুল ইসলাম খান (মরণোত্তর) ১০. শাহজামান মজুমদার বীর প্রতীক ১১. মোঃ হাবিবুল আলম বীর প্রতীক ১২. জিল্লুর রহিম দুলাল ১৩. শাহ সাইদ কামাল ১৪. বীরেন্দ্র নাথ অধিকার ১৫. দিল আফরোজ বেগম। (বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় বাংলাদেশের প্রথম প্রোগ্রামার পরমানু বিজ্ঞানী প্রকৌশলী মোঃ হানিফ উদ্দীন মিয়া (মরণোত্তর)।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে ভিন্নরূপে তুলে ধরার জন্য বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় জনাব রাহিতুল ইসলামকে।
এবারের এই বর্ণাঢ্য উৎসব আয়োজনে স্পন্সর হিসেবে যুক্ত ছিলেন আসুস, এসার, বেনকিউ, করসিয়ার, ফ্যানটেক, গেমডিয়াস, গিগাবাইট, হিকভিশন, ক্যাসপারস্কি, কিংসম্যান, এলজি, লেনোভো, এমএসআই, মিশন, এমএসআই, নেটিস, নেক্সটজেন, র্যাপো, রায়ান্স, সিডনিসান, টেনডা, থার্মালটেক, টগি, টিপি-লিংক, ট্রানসেন্ড, ইউএনভি ইউনিআরস, ভিউসনিক, ওয়াল্টন কম্পিউটার, ওয়াল্টন ল্যাপটপ এবং টিপসই।
অনুষ্ঠান শেষে আগত অতিথিদের সম্মানে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশ ভোজের।










