পর্যটন খাত বদলে দিতে পারে বরগুনার অর্থনীতি

বরগুনা : দেশের দক্ষিণাঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনাময় জেলা বরগুনায় রয়েছে পর্যটনের নানা অনুষঙ্গ। উদ্যোক্তাদের পছন্দের ক্ষেত্র হয়ে উঠছে ইকো ট্যুরিজম। পর্যটন খাতের উন্নতি বদলে দিতে পারে জেলার অর্থনীতির চিত্র।
একদিকে বঙ্গোপসাগর আরেক দিকে সুন্দরবন। প্রকৃতি যেন উদার মায়ায় ডাকছে দেশের দক্ষিণে।
তালতলীতে যেমন রয়েছে রাখাইন ঐতিহ্যের নিদর্শন, শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত তেমনি হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির ইতিহাস ঐতিহ্যকে ধারণ করে বেতাগীতে সগৌরবে দাঁড়িয়ে রয়েছে বিবিচিনি শাহী মসজিদ।
পায়রা, বিষখালী, বলেশ্বরের বুকে জেগে ওঠা ছোট ছোট স্নিগ্ধ দ্বীপবন কিংবা দেশের দ্বিতীয় ম্যানগ্রোভ বন টেংরাগিরির অপার সৌন্দর্য মুহূর্তেই মুগ্ধ করে পর্যটককে।
স্থানীয়রা বলেন, 'বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় হরিণঘাটা আছে, তালতলীতে শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকত এবং টেংরাগিরি ইকোপার্ক রয়েছে। রয়েছে রাখাইন পল্লি।
বরগুনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ঘিরে দেশের পর্যটন অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। কিন্তু যথাযথ উদ্যোগের অভাব ও অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সম্ভাবনার বিকাশ হয়নি।
'বরগুনার সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না। এছাড়াও হোটেল, মোটেলের ভালো ব্যবস্থা নেই। এখানে আসতে একটা ব্রিজ পার হতে হয়। প্রায় দুই তিন বছর হচ্ছে ব্রিজের কাজ হচ্ছে কিন্তু এখনও ঠিক হয়নি।
বরগুনা পর্যটন উদ্যোক্তা উন্নয়ন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ বলেন, ' স্নিগ্ধ দ্বীপবন, বিস্তীর্ণ জল মোহনা, সুন্দরবন এবং কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত একসঙ্গে দেখার সুযোগ বরগুনায় রয়েছে । সে জায়গা থেকে আমাদের প্রচেষ্টা হচ্ছে উদ্যোক্তা বাড়ানো।'
ছোট-বড় মিলিয়ে জেলায় ২০টির বেশি পর্যটন স্পট রয়েছে। এসব স্পটে যোগাযোগ সহজতর করার পাশাপাশি জেলার পর্যটন শিল্পের প্রসারে পদক্ষেপের আশ্বাস দীর্ঘদিনের বলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলম।
তিনি বলেন, ' জেলা প্রশাসন নিজস্ব উদ্যোগে কিছু পর্যটন স্পট উন্নয়ন করার কাজ করছে। এছাড়াও বেসরকারি উদ্যোগেকে উৎসাহিত করছি এবং তারাও এরইমধ্যে বেশকিছু পর্যটন স্পট গড়ে তুলেছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে অবকাঠামোগত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যা।
-B










