পর্যটক মুখর পার্বত্য জনপদ

হেমন্তের শুরুতে পার্বত্য জনপদ পর্যটকের পদচারণার আবারও মুখর হয়ে উঠেছে। প্রাকৃতিক নৈসর্গে ঘেরা, রূপের রানীখ্যাত রাঙামাটি এখন মুখরিত।
মূল পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোসহ পুরো শহরজুড়ে লক্ষ্য করা গেছে পর্যটকদের উপস্থিতি। খালি নেই শহরের হোটেল-মোটেল। বাসের টিকিটও হয়ে গেছে অগ্রিম বুকিং।
নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের অপরূপ এ পাহাড়ী অঞ্চলে পর্যটকদের জন্য রয়েছে মনোলোভা আকর্ষণীয় উপাদান। কাপ্তাই হ্রদ ও পাহাড়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে দেশী-বিদেশীসহ লাখো পর্যটক এখন রাঙামাটিতে।
ঝুলন্ত ব্রিজ, পলওয়েল পার্ক, রাঙামাটি পার্ক, শহীদ মিনার, ডিসি বাংলো, আরণ্যক হলিডে রিসোর্টসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র লোকে লোকারণ্য।
তিন দিনের ছুটি হওয়ায় পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। অরণ্য সুন্দরীর পর্যটনকেন্দ্রগুলো সাজানো হয়েছে অপরূপ সাজে।
রাঙামাটিতে আগত পর্যটকদের জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। রাঙামাটির পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, আমাদের এখানে আগত পর্যটকদের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও সাদা পোশাকের পাশাপাশি পোশাকী পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ সুপার জানান, আমাদের এখানে পর্যাপ্ত পরিমানে আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় আগত পর্যটকদের একটি বিরাট অংশ এখানে রাত্রীযাপন করতে পারে না।
এদিকে, হোটেলে সিট না পাওয়া পর্যটকরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় এবং তাদেরকে নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা করতে সারারাতই রাস্তায় পুলিশের কয়েকটি টিমকে ডিউটিতে রাখা হয়।
রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক সৃজন কান্তি বড়ুয়া বলেন, দীর্ঘদিন করোনা মহামারির নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আবারও পর্যটক এসেছেন রাঙামাটিতে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে দীর্ঘদিনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠা সম্ভব হবে। সবগুলো হোটেল মোটেল পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। আমরা পর্যটকদের বরণ করে নিয়েছি।
রাঙামাটি ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাসান ইকবাল বলেন, রাঙমাটির প্রতিটি পর্যটন স্পটে নিরাপদে পর্যটকরা যেন ঘুরে বেড়াতে পারেন তার সব প্রস্তুতি ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।










