শাহজালালে প্রবাসীদের জন্য পরামর্শ

সম্প্রতি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের লাগেজ বেল্ট থেকে এক সৌদি প্রবাসীর টাকাসহ লাগেজ হারানোর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে।
যদিও রাকিব নামের ওই প্রবাসীর লাগেজ ও সাড়ে ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করে তাকে ফিরিয়ে দিয়েছে বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। তবে বিমানবন্দরে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রবাসীদের জন্য কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ‘ম্যাজিস্ট্রেটস অল এয়ারপোর্টস অব বাংলাদেশ’ নামে একটি ফেসবুক পেজে।
সেখানে বলা হয়েছে, ‘সম্মানিত বিদেশফেরত যাত্রীদের/প্রবাসী ভাই-বোনদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য জানাতে চাই যে, সেই যাত্রীর লাগেজ পাওয়া গেছে এবং তা চুরি হয়নি। বরং অন্য এক যাত্রী ভুল করে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরে তা আবার কাস্টমস হল এলাকায় রেখে গিয়েছেন।’
‘হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লাগেজ চুরি হওয়া একেবারেই অসম্ভব বলা যায়, যেহেতু এখানে সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কড়া নজরদারি রয়েছে। এখানে রয়েছেন বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের স্টাফ, সরকারি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা—যাদের সহযোগিতা ও অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।’
‘বাস্তবচিত্র হচ্ছে আগমনী বেল্ট থেকে ভুলক্রমে বা ইচ্ছাকৃতভাবে অনেক সময়েই এক যাত্রীর লাগেজ অন্য যাত্রী নিয়ে যান। মাঝে মাঝেই সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের স্টাফদের চেকিংয়ে (যা মূলত তাদেরই দায়িত্ব) তা ধরা পড়ে।’
প্রবাসীদের অনুরোধ করে ওই পোস্টে বলা হয়, ‘আপনি সচেতন থাকলে এই দুর্ঘটনা অনেকক্ষেত্রেই এড়ানো সম্ভব। আপনি যা করতে পারেন-
>> বেল্ট থেকে নিজ দায়িত্বে নিজের ব্যাগ বুঝে নেবেন।
>> নিজের মালামাল নিয়ে অপরিচিত বা অল্প পরিচিত কারও ওপর নির্ভর করবেন না।
>> নিজের মালামাল ছাড়া অন্য কারও মালামাল নিজের বলে দাবি করবেন না।
>> এতদসত্ত্বেও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ওপরে বর্ণিত কর্মকর্তাদের অবহিত করবেন অথবা ০১৩০৪০৫০৬০৩ নম্বরে কল করবেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি আপনার কাছে পৌঁছে যাবেন।










