একই সঙ্গে সড়ক ও রেললাইনে চলবে এই গাড়িটি

একই সঙ্গে সাধারণ সড়ক ও রেললাইনে চলছে যাত্রীবাহী বাস। মিনিবাসের মত দেখতে এই গাড়িটি প্রচলিত সাধারণ রাস্তায় চলার সময় রাবারের টায়ারে চলে আবার ইন্টারচেঞ্জ স্টেশনে পৌঁছানোর পর গাড়ির নিচ থেকে স্বয়ংক্রিয় স্টিলের চাকা বেরিয়ে আসে এবং রাবারের চাকা ভেতরে ঢুকে যায়।
গত ২৫ ডিসেম্বর জাপানের তোকুশিমা প্রিফেকচারের কাইয়ো শহরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে এর বাণিজ্যিক যাত্রাও শুরু হয়েছে।
বিশ্বে প্রথমবারের মতো এমন বাহন তৈরি করে বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলেছে জাপান। উদ্ভাবকরা এর নাম দিয়েছে 'ডুয়েল মোড ভেহিকল'। এটি সমানভাবে সড়ক এবং রেললাইনে চলতে পারে।
ডুয়েল মোড ভেহিকেল বা ডিএমভি নামের এই গাড়িটি রেল লাইনে চলতে পারবে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিতে। আর সড়কে উঠলে এর গতি হবে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার। এটি সর্বোচ্চ ২১ জন যাত্রী বহন করতে পারবে। খবর রয়টার্সের।
সড়ক থেকে রেললাইনে চলাচলের উপযোগী হতে গাড়িটির সময় লাগে মাত্র ১৫ সেকেন্ড। সুইচের মাধ্যমে পরিবর্তন হবে ইস্পাতের চাকায়। যখন বাসটি রাস্তা থেকে রেল লাইনে যায় তখন সামনে টায়ারের চাকা গুলো ভেতরে চলে যায় আর রেলের চাকা বেরিয়ে আসে। তখন স্বাভাবিক ভাবেই চলাচল করতে পারে বাসটি।
জাপানের আশা কোস্ট রেল কোম্পানির সিইও শিগেকি মিউরা বলেন, 'এই বাহন বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদের জন্য খুবই কার্যকর হবে। আশা করছি আগামী দিনের জন্য এটি হবে সবচেয়ে সেরা গণপরিবহন।'
ডিজেল চালিত এই বাস প্রাথমিকভাবে চলবে তোকুশিমা থেকে কোচি শহর পর্যন্ত দেড়শ কিলোমিটার পথে। জাপানের প্রত্যাশা, স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি দেশের পর্যটন খাতকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে আধুনিক এই পরিবহন ব্যবস্থা।
এটি বাস, এটি ট্রেনও! মূলত এটি একটি ডিএমভি (ডুয়েল মোড ভেহিকেল) । বিশ্বের প্রথম দ্বৈত-মোড এই গাড়ি সড়ক ও রেলপথে সমানভাবে চলবে।
ডিএমভিগুলো পরিচালনাকারী আশা কোস্ট রেলওয়ে কোম্পানির সিইও শিগেকি মিউরা বলেছেন, যানবাহনগুলো কাইয়োর মতো ছোট শহরগুলো তথা এই বাহন বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদের জন্য খুবই কার্যকর হবে। আশা করছি, আগামী দিনের জন্য এটি হবে সবচেয়ে সেরা গণপরিবহন।
দেশটির উদ্ভাবকরা বলেছেন, ডিএমভি নামের এই গাড়িটি রেললাইনে চলতে পারবে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিতে। আর সড়কে উঠলে এর গতি হবে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার। সড়ক থেকে রেললাইনে চলাচলের উপযোগী হতে গাড়িটির সময় লাগে মাত্র ১৫ সেকেন্ড। সুইচের মাধ্যমে পরিবর্তন হবে ইস্পাতের চাকায়। ছোট আকারের বিশেষ এই বাহনে চড়তে পারবে চালকসহ মাত্র ২৩ আরোহী।
ডিজেলচালিত এই বাস প্রাথমিকভাবে চলবে টোকুশিমা থেকে কোচি শহর পর্যন্ত দেড়শ কিলোমিটার পথে। এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল ২০০২ সালে।
-B










