শাহজালালে শুরু হয়নি বিদেশফেরতদের করোনা টেস্ট

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ১০ জানুয়ারি ১১ দফা বিধিনিষেধ দেয় সরকার। এ বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে ১৩ জানুয়ারি থেকে। বিধিনিষেধে বলা আছে, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীসহ সবাইকে বাধ্যতামূলক করোনার টিকা সনদ দেখাতে হবে ও রাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করাতে হবে। যদিও এই টেস্ট করার দায়িত্ব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কিন্তু সরকারি নির্দেশনা কার্যকরের ১৪ দিন পরও দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনার এই পরীক্ষা এখনও শুরুই হয়নি।
শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী যাত্রীদের করোনার আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করাতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে এমনিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষাগারে আটটি বুথে দৈনিক প্রায় আড়াই হাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী যাত্রীর পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে নতুন করে বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা কঠিন।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জানুয়ারী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ'র এক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।
শাহজালাল বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ডাক্তার শাহরিয়ার সাজ্জাদ বাংলাদেশ মনিটরকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে ঐ সভায় একইভাবে এন্টিজেন টেস্ট শুরু করা যায়।
তিনি আরো বলেন, এ বিমানবন্দরে জায়গার স্বল্পতা অনেক। প্রতিদিন এই বিমানবন্দরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১০ হাজার যাত্রী আসেন। বিমানবন্দরে এতসংখ্যক যাত্রীর অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা কঠিন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘বিমানবন্দরগুলোতে করোনার অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থা কতটুকু করা সম্ভব, তা প্রথমে যাচাই করতে হবে। আমরা চাই বিমানবন্দরগুলোতে সব যাত্রীর এই পরীক্ষা করা হোক। তবে বিমানবন্দরগুলোতে জায়গার সংকট আছে। কিন্তু শাহজালালে জায়গা একেবারেই নেই।’
তারপরও করোনার অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থা কিভাবে করা যায় সেটি যাচাই করতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি, বিমানবন্দরগুলোতে সব যাত্রীর অ্যান্টিজেন পরীক্ষা চালু করতে।
-B










