আজ মহান স্বাধীনতা দিবস

ঢাকা : আজ ২৬ মার্চ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ৫৫তম বার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্ব মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ ঘটে নতুন রাষ্ট্র স্বাধীন বাংলাদেশের।
দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
দিবসটি উপলক্ষে দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আলাদা বাণীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে সরকার দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে আজ ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও উত্তোলন করা হয় বড় আকারের জাতীয় পতাকা।
দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সংবাদপত্রসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র, নিবন্ধ ও সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করেছে। ইলেকট্রনিক মিডিয়াসমূহ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার করছে।
মহানগর, জেলা ও উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে বিশেষ দোয়া ও উপাসনার আয়োজন করা হবে।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ২৬ মার্চ সকাল ৯টায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রপতি আজ বঙ্গভবনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান, সংসদ সদস্য, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, শিল্পী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্য ও বিশিষ্ট নাগরিকরা অংশ নেবেন।
-B










