পাহাড়ে লেগেছে বৈসাবি রং

কক্সবাজার : বছর ঘুরে পাহাড়ে আবারও এসেছে বৈসাবি উৎসব। পুরোনো বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে বরণ করতেই মূলত এ আয়োজন। তাই তো বাংলা বছরের শেষ সময় আর এপ্রিল মাসের শুরু থেকে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নাচ, গান আর নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে এ বৈসাবি উৎসব পালন করে থাকেন।
এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। বৈসাবি ঘিরে রয়েছে নানা আয়োজন। এরই অংশ হিসেবে সোমবার (৬ এপ্রিল)থেকে শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী বৈসাবি মেলা। এদিন বিকাল ৩টায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে বিজু বৈসু, সাংগ্রাই, বিহু, চাংক্রান, বিষু, সাংলান, চাংক্রাই, পাতা ও বাংলা নববর্ষ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. একরামুল রাহাত ও রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার আবদুর রকিব।
এদিকে বৈসাবি উৎসব ঘিরে পাহাড়ে লেগেছে উৎসবের রং। ৫ দিনব্যাপী উৎসবের প্রথম দিন গতকাল ছিল মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা, বাঁশ খড়ম দিয়ে হাঁটা, বেইন বুনন, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী গরিয়া নৃত্য। এ ছাড়া ছিল পাজন রান্না প্রতিযোগিতা।
উৎসবের দ্বিতীয় দিন আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল)বৈসাবি মেলার পাশাপাশি থাকবে নৃ-গোষ্ঠীর নাডেং খেলা প্রতিযোগিতা, বাঁশ-বেতের জিনিসপত্র তৈরি ও শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উৎসবের তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম দিনও থাকছে নানান আয়োজন।
এর মধ্যে রয়েছে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাদের পিঠা তৈরি ও প্রদর্শনী, চাকমা নাটক কথন ও দুলো পেদা দোলি ভাঙানা, নাকশা লুরি, ব্যান্ড শো।
-B










