‘স্বপ্নের পদ্মা সেতু ভ্রমণ প্যাকেজ’ বন্ধের পথে- চালু হচ্ছে নতুন প্যাকেজ
উদ্বোধনের পর পরই পদ্মা সেতু ভ্রমণের ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয় সাধারণের মাঝে। প্রতিদিনই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজারো দর্শনার্থী সেতু দেখতে ভিড় জমাচ্ছিলেন। এ অবস্থায় ‘স্বপ্নের পদ্মা সেতু ভ্রমণ প্যাকেজ’ চালু করে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। কিন্তু যত দিন গেছে ততোই কমতে থাকে মানুষের আগ্রহ। ফলে দর্শনার্থীর অভাবে প্যাকেজটি এখন অনেকটাই বন্ধ হওয়ার পথে।
অপরদিকে, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন কর্মকর্তারাও বলছেন বিষয়টি মাথায় রেখেই পর্যটন শিল্প বিকাশে তারা আরও নতুন নতুন ‘ভ্রমণ প্যাকেজ’ চালুর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক (ভ্রমণ ও রেন্ট-এ কার) মো. নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ মনিটরকে রবিবার (৪ ডিসেম্বর) বলেন, পদ্মা সেতু ভ্রমণ প্যাকেজ ট্যুর এখনো চালু আছে। তবে দর্শনার্থী কমেছে আগের চেয়ে। অনেকটা বন্ধের পথে। এখন আর তেমন কেউ বুকিং দেয় না। তবে মাঝে মধ্যে গ্রুপ বুকিং হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ২২ ডিসেম্বর থেকে তারা রাঙ্গামাটি, কুয়াকাটা ও সাফারি পার্কে ‘ভ্রমণ প্যাকেজ’ চালু করতে যাচ্ছেন। সাফারি পার্ক ‘ভ্রমণ প্যাকেজটি’ আগে-পরেও হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন বিশাল আয়োজন করে উদ্বোধন করা হয় পদ্মা সেতু। পরে ২২ জুলাই বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এই প্যাকেজ ট্যুর চালু করে পর্যটন করপোরেশন।
ঢাকা-পদ্মা সেতু-ভাঙ্গা চত্বর-বঙ্গবন্ধু মান মন্দির-ঢাকা রুটে অর্ধদিবসের এই ভ্রমণ পরিচালনা করা হচ্ছিল প্রতি শুক্র ও শনিবার। প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৯৯৯ টাকা।
পর্যটন করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানান, ঢাকার আগারগাঁওয়ে পর্যটন করপোরেশনের অফিসের সামনে থেকে এই ট্যুর শুরু হয়ে পদ্মা সেতু ভ্রমণ করে আবার ঢাকায় ফিরতে পারতেন দর্শনার্থীরা। শুরুতে এই প্যাকেজে ভালোই সাড়া পাওয়া যায়। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত পরিচালনা করা হয় ২৮টি প্যাকেজ। কিন্তু দিন যতো যাচ্ছে, ক্রমেই কমছে পর্যটক সংখ্যা। আগে যেখানে দুটি এসি ট্যুরিস্ট কোচ পূর্ণ হতো, এখন সেখানে পাওয়া যাচ্ছে ৪-৫ জন। এ কারণে অধিকাংশ সময়ই মাইক্রোবাস দিয়ে নেওয়া হচ্ছে দর্শনার্থীদের।
তবে এখন পর্যন্ত ঠিক কতজন পদ্মা সেতু ভ্রমণে গেছেন, তার সঠিক তথ্য দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।
-Biplob










