অবৈধ শ্রমিকদের বৈধ হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে মালয়েশিয়া

অবৈধ শ্রমিকদের বৈধ হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে মালয়েশিয়া। গত ১৮ জানুয়ারি দেশটির ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক খায়রুল জাইমি দাউদ এক বিবৃতিতে ‘লেবার রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রাম (আরটিকে) ২.০’ অবৈধ বিদেশি কর্মীদের বৈধ হওয়ার এ ঘোষণা দেন।
ঘোষণার আলোকে শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) দেশটির নিয়োগকর্তারা ‘লেবার রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রাম (আরটিকে) ২.০’ এর মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য আবেদন শুরু করেছেন।
নিয়োগকর্তারা ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ পাওয়ার আগে https://imigresen online.imi.gov.my/myimms/main অনলাইনেও আবেদন করতে পারবেন।
অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ হতে মাত্র একদিন সময় লাগবে। একবার সম্পূর্ণ হলে নিয়োগকর্তারা তাদের বিদেশি কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ফরেন ওয়ার্কার্স মেডিক্যাল এক্সামিনেশন মনিটরিং এজেন্সির (ফমিমা) মাধ্যমে নিতে হবে যাতে তারা সুস্থ এবং তাদের নিজ নিজ সেক্টরে কাজ করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তী প্রক্রিয়াটি হবে পুনঃনির্মাণ ফি, ভিসা, অস্থায়ী কাজের ভিজিট পাস (পিএলকেস), প্রক্রিয়াকরণ ফি এবং শুল্ক প্রদান। যখন সমস্ত নথি সম্পূর্ণ হয়, নিয়োগকর্তারা পিএলকেস মুদ্রণ করতে পারবেন।
এদিকে, এই প্রোগ্রামে সর্বনিম্ন ফি ধরা হয়েছে ১৫০০ রিঙ্গিত, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৮ হাজার টাকা। তার সঙ্গে মেডিকেল ও অন্যান্য ফি মিলিয়ে মোট খরচ হয় তিন হাজার রিঙ্গিতের ওপর।
দ্য ফেডারেশন অফ মালয়েশিয়ান ম্যানুফ্যাকচারার্স (এফএমএম) সরকারের কাছে রিক্যালিব্রেশন খরচ কমানোর আবেদন জানিয়েছে। তবে সরকার সেই আবেদন নাকচ করে দিয়েছে।
দেশটির বাণিজ্য বিষয়ক একটি গণমাধ্যম জানাচ্ছে, গত বছর এই প্রোগ্রাম থেকে সরকার আয় করেছে ৭০০ মিলিয়ন রিঙ্গিত।
‘দেশে বিদেশি কর্মীর চাহিদা পূরণে এই কর্মসূচী খুবই কার্যকর । নিয়োগদাতাদের জন্যও এটি সস্তা কারণ তাদের এখন কর্মী নেয়ার জন্য কোন এজেন্সিকে বাড়তি খরচ দিতে হচ্ছে না,’ বিবিসিকে বলেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফ উদ্দিন।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ইমিগ্রেশন কখনোই কোনো ব্যক্তি বা সংস্থাকে এজেন্ট বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেনি। আরটিকে যা প্রাথমিকভাবে ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়েছিল সেটি আবারও চলবে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
-B










