জমে উঠেছে আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল প্রদর্শনী


ঢাকাঃ দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের সম্ভাবনা তুলে ধরতে রাজধানীতে চলছে ৪ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘টেক্সটাইল সিরিজ অফ এক্সিবিশন্স’ সংশ্লিষ্ট ‘২৫তম টেক্সটেক বাংলাদেশ ২০২৬ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’, ‘২৬তম ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার্ন অ্যান্ড ফ্যাব্রিক শো ২০২৬ - সামার এডিশন’ এবং ‘৫৩তম ডাই + কেম বাংলাদেশ ২০২৬ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’।
২ -৫ সেপ্টেম্বর প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনীসমূহ উন্মুক্ত রয়েছে।
গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শিল্প-সংশ্লিষ্ট মেশিনারি, ইয়ার্ন, ফেব্রিকস, অ্যাকসেসরিজ, ডাইস্টাফ, কেমিক্যালস ও নিত্য-নতুন প্রযুক্তি প্রদর্শনে কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস- সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ এর আয়োজনে ২৫ বছরের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার (বাণিজ্যমেলা প্রাঙ্গণ) এ মেলা চলছে।
সেমস-গ্লোবাল, ইউএসএ অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন. ইসলাম বলেন - এই তিনটি প্রদর্শনী বাংলাদেশের গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শিল্পের সর্ববৃহৎ এবং সর্বপ্রথম অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী, যা বিগত ২৪ বছরের ধারাবাহিকতায় এবছর ২৫ বারের ন্যায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রদর্শনীসমূহ ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের জন্য বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সর্ববৃহৎ বিজনেস-টু-বিজনেস (বি-টু-বি) মিটিং প্লেস, যেখানে ব্যবসার প্রসারে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ক্রেতা এবং সরবরাহকারীরা কাজ করতে পারবেন।
আজ দ্বিতীয় দিন ৩ সেপ্টেম্বর খালিদ ওয়াটার টেকের (KWT) সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হবে ‘অ্যাডভান্সড টেকনোলজিস ইন ওয়েস্টওয়াটার ট্রিটমেন্ট ফর হায়ার ওয়াটার রিকভারি’ (Advanced Technologies in Wastewater Treatment for Higher Water Recovery) শীর্ষক সেমিনার।
এবারের এক্সিবিশনে বিশেষ সংযোজন হিসেবে থাকছে ‘ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন জোন’। বস্ত্র ও পোশাকশিল্পে প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও স্মার্ট ব্যবস্থাপনার সম্ভাবনা । ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন জোনে - এআই ও অটোমেশন, ইআরপি, স্মার্ট ফ্যাক্টরি, আইওটি, ইন্ডাস্ট্রি ৪.০, ডেটা অ্যানালিটিকস, ক্লাউড, সাইবারসিকিউরিটি এবং টেকসই উৎপাদন ও ট্রেসেবিলিটি প্রযুক্তির বিভিন্ন সমাধান প্রদর্শন করা হচ্ছে।
এর মাধ্যমে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও শিল্পসংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের মধ্যে যোগাযোগ এবং ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।










