ছুটির দিনে জমজমাট ছিল অমর একুশে বইমেলা

ঢাকা : দশম দিনে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেশ জমেছিলো বই মেলা। বিক্রিও ছিল ভালো। ব্যতিক্রম ছিল না আগের দিন শুক্রবারও। ছুটির দিনগুলোতে মেলা শুরু হয়েছিল বেলা ১১টায়। বরাবরের মতো বেলা ১টা পর্যন্ত ছিল শিশুপ্রহর।
এতে বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীরা মা-বাবাকে সাথে নিয়ে দুপুর পর্যন্ত আনন্দে সময় কাটান। এভাবে সকালের দিকে মেলার পরিবেশ অনেকটা ছিমছাম থাকলেও বিকেলে মানুষের ঢল নামে। সূর্য ডোবার আগেই দলে দলে আসতে থাকেন নানান বয়সের নারী-পুরুষ। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে সোহরাওয়ার্দীর পুরো প্রাঙ্গণ মানুষে একাকার হয়ে যায়। তবে আনন্দের সাথে বিরক্তি সাধে ধুলো। মাস্ক পরেও তাতে রেহাই মিলছিল না। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আগতরা।
মানুষের আগমনে প্রভাব পড়ে শাহবাগ থেকে টিএসসি ও প্রেস ক্লাব থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত। মানুষের চাপে এসব এলাকায় যানজট পড়ে যায়। এতে মানুষ বাহন ছেড়ে হাঁটতে থাকেন। আর যেসব বাহন ভিড়ে আটকা পড়েছিল সেগুলো নিয়ে ভয়াবহ যানজটের সাথে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। ফলে দুর্ভোগে পড়েন এসব এলাকায় আগত মানুষ।
বিক্রেতারা জানান, প্রথম ছুটির দুই দিন মানুষের সমাগম হলেও বিক্রি ছিল না। তবে গতকাল ও পরশু পাঠকের ভিড়ে বিক্রিও ছিল ভালো। তাদের মতে, এখন সময়ের সাথে বাড়ছে পাঠক সে সাথে বিক্রিও বাড়ছে।
মেলায় শিশুপ্রহরে সকালে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে শিশু-কিশোর সঙ্গীত প্রতিযোগিতার প্রাথমিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১৭৫ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। বিচারক হিসেবে ছিলেন শিল্পী ইয়াকুব আলী খান, চন্দনা মজুমদার ও সুমন মজুমদার।
-B










