বাংলাদেশ, ইউএই এর মাঝে দ্বি-পাক্ষিক বিমান চলাচল বিষয়ে দুইদিন ব্যাপী আলোচনার সমাপ্তি

ঢাকাঃ বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তরে বাংলাদেশ ও ইউএই এর মাঝে দ্বি-পাক্ষিক বিমান চলাচল বিষয়ে দুইদিন ব্যাপী আলোচনা ১৬ই মে সমাপ্ত হয়।
উভয় পক্ষের আলোচনায় ইউএই-এর এয়ারলাইন্সসমূহ বাংলাদেশে তাদের বিমান চলাচল বৃদ্ধির প্রস্তাব করে এবং বিভিন্ন রুটে ফিফ্থ ফ্রিডম অধিকার পাওয়ার জন্য প্রস্তাব করেন।
বর্তমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩য় টার্মিনালের কর্মযজ্ঞ বিবেচনায় ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে না বিধায় বর্তমানে যে হারে ফ্লাইট চলমান আছে তা সেই পর্যায়ের মধ্যে রাখার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
ভবিষ্যতে বিমানবন্দরসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি সাপেক্ষে বর্ধিত কলেবরে বিমান উড্ডয়নের প্রস্তাবনা পর্যালোচনা করা হবে।
তবে, ফিফ্থ ফ্রিডম অধিকারটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না মর্মে বেবিচক-এর পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, এই আলোচনায় এমিরেটস স্টেটসমূহের মধ্যে ফুজাইরাহ স্টেটের পক্ষে বিমানবন্দরসমূহের সক্ষমতা অর্জন সাপেক্ষে ফ্লাইট বরাদ্দের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।
আরো উল্লেখ্য যে, আলোচনাটি অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে ও সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়।
ইউএই-এর ডেলিগেশন প্রধান সাইফ মোহম্মেদ আল সুওয়াইদি বাংলাদেশের আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশেষ করে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনায় কারিগরি ও পরামর্শক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মফিদুর রহমান এই দু’দিনের সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে বলে জানান।
ইউএই-এর পক্ষে জেনারেল সিভিল এভিয়েশন অথরিটি এবং দুবাই, শারজাহ, রাস আল খাইমাহ, ফুজাইরাহ সিভিল এভিয়েশন অথরিটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও ইউএই এর বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিসহ মোট ২২ জন উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের পক্ষে চেয়ারম্যান বেবিচকের সাথে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়, বেবিচকের উর্ধবতন কর্মকর্তাগণ ও বাংলাদেশের বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
- T










