সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ - দ্বীপে আটকা ৩ শতাধিক পর্যটক

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে সাগরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ অবস্থায় বৈরী আবহাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে বুধবার (৬ ডিসেম্বর) টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
এতে দ্বীপে আটকা পড়েছেন তিন শতাধিক পর্যটক।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর)সকালে পর্যটকবাহী কেয়ারি সিন্দাবাদ, বারো আউলিয়া ও আটলান্টিক জাহাজে দ্বীপে বেড়াতে যান প্রায় এক হাজার পর্যটক। একই দিন বিকেলে ৭০০ পর্যটক দ্বীপ ছাড়লেও সেখানে বাকিরা দ্বীপে রাত্রিযাপন করছেন।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের ট্রাফিক সুপারভাইজার জহির উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম-এর প্রভাবে সাগর উত্তাল রয়েছে। এ জন্য সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখানো হয়েছে। বুধবার সকালে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে দ্বীপে ভ্রমণে আসা বেশ কিছু পর্যটক সেখানে রাত্রিযাপন করছেন। তাদের আরও এক রাত সেখানে থাকতে হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাদের নিয়ে আসা হবে।’
পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদের টেকনাফের ব্যবস্থাপক শাহ আলম বলেন, ‘৩ নম্বর সংকেতের কারণে বুধবার জাহাজ বন্ধ থাকবে। বেড়াতে আসা কিছু পর্যটক দ্বীপে রয়েছেন। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। কিন্তু এ ধরনের ঘটনায় কমপক্ষে দুই দিন জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকে।’
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন, ‘ভ্রমণে আসা বেশ কিছু পর্যটক দ্বীপে অবস্থান করছেন। তাদের খোঁজখবর রাখা হবে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে আবার জাহাজ চলাচল শুরু হবে।'
-B










