ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি বাড়লো আরও ১ বছর


ঢাকাঃ যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য এইচ-১বি (H-1B) ভিসার কিছু আবেদনে ১ লাখ ডলার ফি আরোপের নীতি আরও এক বছর বাড়িয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউস এ তথ্য জানিয়েছে।
নতুন ঘোষণায় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে চালু করা বিধিনিষেধের মেয়াদ ২০২৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকা কোনো বিদেশি কর্মীর জন্য নতুন এইচ-১বি আবেদন করলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নিয়োগদাতাকে ১ লাখ ডলার দিতে হবে।
জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে কিছু ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা খাতকে এ নিয়ম থেকে ছাড় দিতে পারবেন যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এইচ-১বি কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো প্রযুক্তি, প্রকৌশলসহ বিশেষ দক্ষতার কাজে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে পারে।
ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীদের জন্য এই ভিসা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
হোয়াইট হাউসের দাবি, কিছু প্রতিষ্ঠান কম বেতনে বিদেশি কর্মী এনে মার্কিন কর্মীদের জায়গা দখল করছে এবং মজুরির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, বড় অংকের ফি কম দক্ষ ও কম বেতনের কর্মী নিয়োগ নিরুৎসাহিত করবে এবং বেশি দক্ষ কর্মীদের অগ্রাধিকার দেবে। তবে ১ লাখ ডলারের এই ফি নিয়ে আইনি লড়াই চলছে।
গত জুনে বোস্টনের একটি ফেডারেল আদালত ফি কে বেআইনি বলে রায় দেন। বিচারক লিও সরোকিন বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের অর্থ আদায়ের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নেই। ট্রাম্প প্রশাসন ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ী সংগঠন ইউএস চেম্বার অব কমার্সও এই ফি এর বিরুদ্ধে আলাদা মামলা করেছে। সেই মামলাটিও আপিল আদালতে বিচারাধীন।
নতুন নিয়মটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত শিক্ষার্থী যারা পরে এইচ-১বি মর্যাদায় যাচ্ছেন এবং বিদ্যমান এইচ-১বি ভিসা নবায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
একই দিনে ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি আবেদন যাচাই আরও কঠোর করার নির্দেশও দিয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠান সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন কর্মী ছাঁটাই করেছে বা করার পরিকল্পনা করছে কি না, ভিসা আবেদন পর্যালোচনার সময় সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।










