পাসপোর্টে আবারও ভোগান্তি

পাসপোর্ট পেতে আবারও ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাপ্রত্যাশী সাধারণ মানুষ।
'মে মাস' র শেষ থেকে এযাবতকালের রীতি ৪৮ পৃষ্ঠার পরিবর্তে ৬৪ পৃষ্ঠার নতুন বই চালুর ফলে খরচ বেড়ে যাওয়ায় নতুন এই বিপাকে পড়েছেন সেবা প্রত্যাশীরা।
বর্তমানে ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট বইয়ের টাকা জমা নেওয়া বন্ধ করে শুধু ৬৪ পৃষ্ঠার আবেদনের বিপরীতে আরও ২ হাজার ৩০০ টাকা করে অতিরিক্ত ফি জমা নেওয়া হচ্ছে। এই হিসাবে ব্যাংকে জমা ফি ৪ হাজার ২৫ টাকা থেকে আরও ২ হাজার ৩০০ টাকা বেড়ে এখন জমা দিতে হচ্ছে ৬ হাজার ৯০০ টাকা।
এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড পাসপোর্ট অধিদপ্তরে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ূব চৌধূরী বাংলাদেশ মনিটরকে বলেন, ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের আবেদন নেওয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, দেশে সাময়িকভাবে তা বন্ধ রয়েছে।
মহাপরিচালক বলেন, ৪৮ পৃষ্ঠার পাশাপাশি ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্টও বিতরণ করা হয়। তবে আমরা যে পরিকল্পনা করেছিলাম বা বিতরণের টার্গেট নিয়েছিলাম, সে অনুযায়ী ৬৪ পৃষ্ঠার আবেদন জমা পড়ছে না। ৬৪ পৃষ্ঠার বইগুলো দীর্ঘদিন রেখে দেওয়ায় নষ্ট হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় টাকার অপচয় রোধে বিশেষ ব্যবস্থায় শুধু ৬৪ পৃষ্ঠার আবেদন জমা ও বিতরণ করা হচ্ছে। এটি সাময়িক।
এদিকে, পাসপোর্ট অফিসের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অধিদপ্তর থেকে ৪৮ পৃষ্ঠার আবেদন জমা নেওয়া বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে তবে কবে চালু হবে, তা জানি না।
উল্লেখ্য, ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের আবেদন জমা নেওয়া বন্ধ থাকায় এখন গ্রাহককে ১৫ থেকে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদের পাসপোর্ট পেতে ৬ হাজার ৩২৫ টাকা, জরুরি আবেদনে ৮ হাজার ৬২৫ টাকা এবং অতি জরুরি আবেদনে ১২ হাজার ৭৫ টাকা করে লাগছে। ১০ বছর মেয়াদি আবেদনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের যথাক্রমে ৮ হাজার ৫০ টাকা, ১০ হাজার ৩৫০ টাকা এবং ১৩ হাজার ৮০০ টাকা ফি জমা দিতে হচ্ছে।
অবশ্য পাসপোর্ট অধিদফতর গত ২৯ মে এক অফিস আদেশে ৪৮ পৃষ্ঠা বইয়ের স্বল্পতা জানিয়ে ২ মাসের জন্য ৬৪ পৃষ্ঠা বুকলেটের আবেদনের কথা বলেন।
-B










