প্রবাসী কার্ডে বিমান ভাড়া ও স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ ছাড়


ঢাকাঃ সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’।
চলতি আগস্টের শেষ সপ্তাহে (২৭বা ২৯ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে পারেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জর্ডানগামী কর্মীদের হাতে প্রথমবারের মতো এ কার্ড তুলে দেওয়া হবে। মালয়েশিয়া ও ব্রুনাইগামী প্রবাসীদেরও এ কার্ড দেওয়া হতে পারে। কার্ডের খরচ বহন করবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।
প্রাথমিকভাবে আগামী বছরের জুনের মধ্যে ৩ ধাপে মোট ২ লাখ প্রবাসীকে কার্ড দেওয়া হবে। পরে ধাপে ধাপে সব প্রবাসীকে এই কার্ডের সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে।
কার্ড চালুর লক্ষ্যে গত ১০ আগস্ট প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও জনতা ব্যাংক পিএলসির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। কার্ডের প্রশিক্ষণ, সফটওয়্যার উন্নয়ন ও প্রচারের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় ১০ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছে।
পাশাপাশি কার্ডের বিভিন্ন সুবিধা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, বিশেষ এই কার্ড ব্যবহার করে দেশের যে কোনো পর্যটন হোটেলে আবাসনের ক্ষেত্রে ৪১ শতাংশ ছাড় পাবেন প্রবাসীরা। এ ছাড়া বিমানবন্দরের বলাকা লাউঞ্জে খাবার খরচে ২০ শতাংশ, বিমান ভাড়ায় ১০ শতাংশ ছাড়, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণে ৩-৩.৫ শতাংশ প্রণোদনা সুবিধাসহ ১১টি সুবিধা রাখা হয়েছে এই কার্ডে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রথম পর্যায়ে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করা হবে, যার মেয়াদ থাকবে পাঁচ বছর। তবে আগামী বছরের ৫ আগস্টের মধ্যে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এ কার্ডের দায়িত্ব নেবে।
এ কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা যেসব সুবিধা পাবেন সেগুলো হলো— আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কমপ্লিমেন্টারি মিট অ্যান্ড গ্রিট সেবা; ‘কমপ্লিমেন্টারি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ’ ব্যবহার ও বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথের মাধ্যমে দ্রুত সেবা; ১০০ টাকায় লাগেজ রেপিং সুবিধা ও বলাকা লাউঞ্জে খাবারের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ ছাড়; বাংলাদেশ বিমান টিকিটে ১০ শতাংশ ছাড় এবং হোটেল বুকিংয়ে ৪১ শতাংশ ছাড়; দেশ ও বিদেশে সাশ্রয়ী মূল্যে গাড়ি বুকিং এবং সিগনেচার কার্ডধারীদের জন্য বিমানবন্দর পিক-আপ ও ড্রপ-অফ সেবা; সরকারি হাসপাতালে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সেবা কাউন্টার এবং বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবায় ৭-১৫ শতাংশ ছাড়, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ২০ শতাংশ ছাড়; বিদেশে কার্ডধারীর মৃত্যু হলে লাশ বিনা খরচে দেশে আনা; বিদেশফেরত কর্মীদের জন্য পুনর্বাসন সহায়তা ও বিমা সুবিধা; জমি নিবন্ধন, নামজারি (মিউটেশন), ইউটিলিটি সংযোগ, লাইসেন্স ও বৈদেশিক বিনিয়োগ সংক্রান্ত কাজে অগ্রাধিকার; রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ক্রেডিট স্কোরিং, ঋণ সুবিধা এবং সহজে আর্থিক লেনদেন; জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট, কনস্যুলার সেবা এবং অন্যান্য সরকারি ও ব্যাংকিং সেবায় অগ্রাধিকার এবং আইনি সেবায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।প্রবাসী কার্ডে বিমান ভাড়া ও স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ ছাড়
ঢাকাঃ সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’।
চলতি আগস্টের শেষ সপ্তাহে (২৭বা ২৯ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে পারেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জর্ডানগামী কর্মীদের হাতে প্রথমবারের মতো এ কার্ড তুলে দেওয়া হবে। মালয়েশিয়া ও ব্রুনাইগামী প্রবাসীদেরও এ কার্ড দেওয়া হতে পারে। কার্ডের খরচ বহন করবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।
প্রাথমিকভাবে আগামী বছরের জুনের মধ্যে ৩ ধাপে মোট ২ লাখ প্রবাসীকে কার্ড দেওয়া হবে। পরে ধাপে ধাপে সব প্রবাসীকে এই কার্ডের সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে।
কার্ড চালুর লক্ষ্যে গত ১০ আগস্ট প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও জনতা ব্যাংক পিএলসির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। কার্ডের প্রশিক্ষণ, সফটওয়্যার উন্নয়ন ও প্রচারের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় ১০ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছে।
পাশাপাশি কার্ডের বিভিন্ন সুবিধা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, বিশেষ এই কার্ড ব্যবহার করে দেশের যে কোনো পর্যটন হোটেলে আবাসনের ক্ষেত্রে ৪১ শতাংশ ছাড় পাবেন প্রবাসীরা। এ ছাড়া বিমানবন্দরের বলাকা লাউঞ্জে খাবার খরচে ২০ শতাংশ, বিমান ভাড়ায় ১০ শতাংশ ছাড়, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণে ৩-৩.৫ শতাংশ প্রণোদনা সুবিধাসহ ১১টি সুবিধা রাখা হয়েছে এই কার্ডে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রথম পর্যায়ে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করা হবে, যার মেয়াদ থাকবে পাঁচ বছর। তবে আগামী বছরের ৫ আগস্টের মধ্যে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এ কার্ডের দায়িত্ব নেবে।
এ কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা যেসব সুবিধা পাবেন সেগুলো হলো— আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কমপ্লিমেন্টারি মিট অ্যান্ড গ্রিট সেবা; ‘কমপ্লিমেন্টারি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ’ ব্যবহার ও বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথের মাধ্যমে দ্রুত সেবা; ১০০ টাকায় লাগেজ রেপিং সুবিধা ও বলাকা লাউঞ্জে খাবারের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ ছাড়; বাংলাদেশ বিমান টিকিটে ১০ শতাংশ ছাড় এবং হোটেল বুকিংয়ে ৪১ শতাংশ ছাড়; দেশ ও বিদেশে সাশ্রয়ী মূল্যে গাড়ি বুকিং এবং সিগনেচার কার্ডধারীদের জন্য বিমানবন্দর পিক-আপ ও ড্রপ-অফ সেবা; সরকারি হাসপাতালে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সেবা কাউন্টার এবং বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবায় ৭-১৫ শতাংশ ছাড়, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ২০ শতাংশ ছাড়; বিদেশে কার্ডধারীর মৃত্যু হলে লাশ বিনা খরচে দেশে আনা; বিদেশফেরত কর্মীদের জন্য পুনর্বাসন সহায়তা ও বিমা সুবিধা; জমি নিবন্ধন, নামজারি (মিউটেশন), ইউটিলিটি সংযোগ, লাইসেন্স ও বৈদেশিক বিনিয়োগ সংক্রান্ত কাজে অগ্রাধিকার; রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ক্রেডিট স্কোরিং, ঋণ সুবিধা এবং সহজে আর্থিক লেনদেন; জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট, কনস্যুলার সেবা এবং অন্যান্য সরকারি ও ব্যাংকিং সেবায় অগ্রাধিকার এবং আইনি সেবায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।










