যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লাইট পরিচালনার আনুষ্ঠানিক আবেদন বিমানের

ঢাকা : গত ৩ বছর ধরে চেষ্টা করেও যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লাইট পরিচালনার স্বপ্ন পূরণ করতে পারছে না রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সম্প্রতি নতুনভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেছে তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সুত্রে জানা যায়, বর্তমানে বিমানের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে নিউইয়র্ক ফ্লাইট পরিচালনা করা। তবে, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরও ৬টি বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনার আবেদন করেছে তারা। বিমান ২০৩০ সালের মধ্যে এশিয়ার সেরা এয়ারলাইন্স হতে চায়। এ রুট তাদের সেরা হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিমান যে আবেদনটি করেছে সেটিকে ‘ফরেন এয়ার ক্যারিয়ার’ আবেদন বলা হয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশনে (ডিওটি) জমা দেওয়া হয়েছে। বিমানের পক্ষে ডিওটিতে আবেদন করেন বিমানের অ্যাটর্নি (নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী) রবার্ট ডব্লিউ জনসন।
বিমান আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে বিমান আরও ছয়টি রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায়। সেগুলো হচ্ছে- লস এঞ্জেলস, ওয়াশিংটন ডিসি, বোস্টন, হোস্টন, ডালাস ও নিউ জার্সি (নিয়ার্ক)।
এসব রুটে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য সম্ভাব্য যাত্রাবিরতির ১০টি বিমানবন্দরের নামও প্রস্তাব করা হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি, ইতালির রোম, বেলজিয়ামের ব্রাসেলস, যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম, তুরস্কের ইস্তাম্বুল ও ইজমির, ভারতের নিউ দিল্লি ও নেদারল্যান্ডসের অ্যামস্টারডাম।
বিমান তার অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায়। এটি টানা ৭৯০০ মাইল উড়তে সক্ষম। তারপরও বিমান রিফুয়েলিংয়ের জন্য তুরস্কে যাত্রাবিরতি দেবে।
আরও পড়ুন: বিমানের অনিয়ম রোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে : বিমান প্রতিমন্ত্রী
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) শফিউল আজিম জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সব ধরনের নিয়মকানুন মেনে সময় মতো নিউইয়র্ক ফ্লাইট পরিচালনার আবেদন করেছে। এ বছরের শুরু থেকে আমরা আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু করি। আইনজীবী নিয়োগ দেই। তিনি আমাদের ৭০টি কোয়েরি দিয়েছিলেন। আমরা সেগুলোর তথ্য দিয়েছি এবং সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে আবেদন জমা দিয়েছি। বিমানের পক্ষ থেকে যা যা করা দরকার সে সব প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক বিমান পরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থা- ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) ও বাংলাদেশের বেবিচকের মধ্যে সবকিছু ঠিক থাকলে অনুমোদন পাওয়া যাবে।
-B










