খোলাবাজারে ১১৮ টাকায়ও মিলছে না ডলার

ঢাকা : বিদেশগামীদের নগদ ডলারের প্রধান উৎস খোলাবাজার। তবে এসব মানুষ খোলাবাজারে এসে নগদ ডলার পাচ্ছেন না। বেশি দামে ডলার বিক্রির অপরাধে সম্প্রতি বেশ কিছু মানি চেঞ্জারের লাইসেন্স স্থগিত ও সিলগালা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভয়-আতঙ্কে ডলার বেচাকেনা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে মানি এক্সচেঞ্জগুলো। ফলে খোলাবাজারে ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে।
কোথাও ডলার পাওয়া গেলেও নগদে কিনতে গ্রাহকদের গুনতে হচ্ছে ১১৮ থেকে ১১৮ টাকা ৫০ পয়সা। তবে এ দরেও ডলার দিতে পারছে না বেশিরভাগ মানি চেঞ্জারগুলো। আগের চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী, রোগী ও পর্যটক বিদেশে যাওয়ায় নগদ ডলারের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন মুদ্রাটির দাম বেড়ে গেছেও বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
জানা যায়, গত মাসের শেষের দিকে ইচ্ছামতো দরে ডলার বিক্রি করে মানি চেঞ্জারগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি ডলার বিক্রি করায় চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে খোলাবাজারে চলে অভিযান। ইতোমধ্যে সাতটি মানিচেঞ্জারের লাইসেন্স স্থগিত করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। পাশাপাশি একই কারণে আরও ১০ মানি চেঞ্জারের কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইউনিক হোটেলের ১৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন
মানি চেঞ্জারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব সেখ হেলাল সিকদার বলেন, বিভিন্ন সংস্থার অভিযানের কারণে মানুষ আতঙ্কে ডলার বিক্রি করতে আসছেন না। তাই ডলারের সংকট রয়েছে। আর মানি চেঞ্জারে কেউ ঘোষিত দরে ডলার পাচ্ছে না। তাই নির্ধারিত দরে বিক্রিও করতে পারছে না। তাই অনেকে ডলার ধরে রাখছে।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডলারের সংকট সমাধানে এখন পর্যন্ত যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তার সবই অস্থায়ী ভিত্তিতে। সংকট কমবে, এমন কোনো কার্যকর পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে। ডলার-সংকটের জন্য যারা দায়ী, বিশেষত অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সময় এসেছে। এটা না করে উল্টো বেশি দামে ডলার কেনাবেচা করায় ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা সংকট আরও উসকে দিচ্ছে। ফলে গত আগস্টে প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের পতন হয়েছে।
-B










