শ্রমবাজার খুলছে, সুযোগ পাবে সব এজেন্সি


ঢাকাঃ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে যাচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগস্টের শেষ সপ্তাহেই প্রথম দফায় কর্মী পাঠানো শুরু হতে পারে। এতে অভিবাসন খাতে স্বস্তি ফিরলেও অতীতের অভিজ্ঞতার কারণে নতুন করে সিন্ডিকেটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য মালয়েশিয়ার ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিউসিএমএস) ২৫টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর সরকারের আগের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে কি না।
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, মালয়েশিয়ার তালিকা তাদের নিজস্ব। বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানো হবে বোয়েসেলের মাধ্যমে এবং তালিকাভুক্ত সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি কাজের সুযোগ পাবে। সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, কোনো সিন্ডিকেটের সুযোগ রাখা হবে না এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কম খরচে কর্মী পাঠানো হবে।
তবে বায়রার সদস্যদের অভিযোগ, ২৫টি এজেন্সিকে ঘিরে নতুন সিন্ডিকেট তৈরির চেষ্টা চলছে। তারা সব বৈধ এজেন্সির জন্য সুযোগ উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন। বিএনপির নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠানোই সরকারের লক্ষ্য।
এর আগে মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে অনিয়মের অভিযোগে জড়িত ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। এর মধ্যে সাবেক কয়েকজন সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবার বোয়েসেলের মাধ্যমে কম খরচে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়াতেও বিদেশি কর্মী নিয়োগের আবেদন পুরোপুরি অনলাইনভিত্তিক এফডব্লিউসিএমএস ব্যবস্থায় নেওয়া হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় দ্রুত অনুমোদন, প্রশাসনিক জটিলতা ও নিয়োগ ব্যয় কমানো এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।










